লেবেল

নিজেকে এখনও গুছিয়ে নিতে পারিনি

১১ জানুয়ারি, ২০১২

গোলাম আজম কারাগারে !!! একি শুনি আজ

গোলাম আযম গ্রেফতার । এই সরকারের উপর আর ভরসা করতে পারছি না । কি বিচার করবে জানা আছে আমার । হাহ
"
"
"
"
"
"
"
"
"

কিসের বিচার ?? কার বিচার ?? কোন বিচার মানি না । আইজকা গো আ রে ডিম থেরাপি দিয়া , কয়েকদিনের মধ্যেই সবকয়টাকে(কুত্তার বাচ্চা কইতে চাইছিলাম , কিন্তু তাতে কুত্তারই অসম্মান হয়) ফাঁসি তে ঝুলানো চায় ।

৭১ এ যারা বিনা বিচারে মানুষ হত্যা করছে , দেশমাতাকে ধর্ষণ করছে তাদের জন্য কোন মানবতা নেই কোন বিচার নেই । শুধুই ফাঁসি চাই


সবশেষে এই গো আ রে জুতা পেটা করার এই ছবি


আজ এই খুশির দিনে নিজেকে দাবায়া রাখতে পারলাম না । ঘরে ঘরে আজ খুশির জোয়ার । আনন্দ ভাগ করে নিতে পোস্টটা লিখে ফেললাম

৯ জানুয়ারি, ২০১২

প্রসংগ ভারতীয় সিনেমা এবং আমাদের সিনেমা

বাংলাদেশের মিডিয়া জগতে এখন যে খবরটি একটু বেশি প্রচারিত বা গরম সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে "ভারতীয় সিনেমা" মুক্তি পাওয়া । এক পক্ষের জোর দাবি ভারতীয় সিনেমা মুক্তি দিয়ে সিনেমা হলকে বাচানো(এই পক্ষ হল সিনেমা হল মালিক সমতি) আরেক পক্ষের দাবি হল এতে দেশীয় সিনেমা শিল্প হুমকির মুখে পড়বে(এই পক্ষ সিনেমা তৈরি করা থেকে বিতরণকারী , সর্বোপরী পরিচালক প্রযোজক বৃন্দ) । দুই পক্ষেরই জোড়ালো যুক্তি রয়েছে । অবস্থা এমন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি

আমি চাই না বাংলাদেশে ভারতীয় সিনেমা আসুক । কিন্তু এলে কি হবে ? সবার ধারণা এতে ভারতীয় সিনেমার কাছে দেশীয় সিনেমা মার খাবে সোজা বাংলায় বাংলা সিনেমা শেষ । আমি বুঝিনা প্রতিযোগিতাকে আমরা কেন এত ভয় পাই ? প্রতিযোগিতা ছাড়া কোন কিছুরই উন্নয়ন সম্ভব না । কেন ভারতীয় সিনেমা কি প্রতিযোগিতা করে না ? আমার তো মনে হয় বিশ্বের ত্বাবত সিনেমার চেয়ে ভারতীয় সিনেমাই বেশি প্রতিযোগিতা করে । ভারতীয় সিনেমা মানে তো শুধু বলিউডের হিন্দী সিনেমাই না । আছে তামিল , তেলেগু , বাংলা , পাঞ্জাবী , ভোজপুরী সহ আরও অনেক সিনেমা । আর এই সিনেমাগুলো কিন্তু একই সাথে সারা ভারতে প্রতিযোগিতা করছে এবং কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে । শুধু তাই না হিন্দিতে ডাবিং করে এখন হলিউডের মুভিগুলোও ভারতে মুক্তি পাচ্ছে এবং খুব ভাল ব্যবসা করছে । শুধু যদি ভারতীয়রা হিন্দি সিনেমাই দেখত তাহলে তো অন্য ভাষার সিনেমার কোন ইন্ডাস্ট্রিই থাকতো না । কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে ভারতীয়রা হিন্দি সিনেমার চেয়ে নিজ ভাষার সিনেমাই বেশি দেখছে । তামিল তেলেগু বা কলকাতায় এখন বেশিরভাগ সিনেমার বাজেটই থাকে ১০ থেকে ১৫ কোটি রূপি । এবং এই সিনেমাগুলো লগ্নিকৃত অর্থ নিজেদের মার্কেট থেকে ঠিকই তুলে আনছে । দক্ষিণে একই শাহরুখের মুভি আর নাগার্জুনার মুভি মুক্তি পেলে সেখানকার মানুষ নাগার্জুনার মুভিই বেশি পছন্দ করছে । শুধু মাত্র হিন্দি সিনেমার জন্য অন্য কোন ভাষার ইন্ডাস্ট্রি বসে যায় নি । কারণ মানুষ সবসময়ই নিজের ভাষার সিনেমা দেখতে পছন্দ করে, যদি তাদেরকে তেমন সিনেমা তৈরি করে দেয়া যায় । কিন্তু আমরা সেটা পারছি কই ?

এখন সিনেমা হল মালিকদের কথা হচ্ছে যেহেতু আমাদের দেশে ভাল সিনেমা হচ্ছে না(কথাটা অবশ্যই ৯৮% সত্য) সেহেতু সিনেমা হলগুলো টিকিয়ে রাখতে ভারতীয় সিনেমার বিকল্প নেই(অলস মস্তিষ্কের বস্তা পঁচা চিন্তা কারে কয়) । এরা ভুলে গেছে বর্তমানে বাংলা সিনেমার দর্শক কারা ? গার্মেন্টস শ্রমকেরা যাদের অন্য কোন বিনোদন মাধ্যম নেই বলেই সিনেমা দেখে । তাদের কাছে এখনও শাহরুখ খানের চেয়ে শাকিব খানের গ্রহণ যোগ্যতা বেশি । তো তারা কি শাকিব খানের হিরো গিরি বাদ দিয়া শাহরুখ খানের রোমান্টিক সিন দেখতে যাবে নাকি । আরেকটা কথা আজ হয়ত পুরনো সিনেমা মুক্তি দেয়া হচ্ছে , কিন্তু কাল যদি হল মালিকেরা ভারতের সিনেমা ভারতের সাথে একই সাথে এদেশে মুক্তি দিতে দেয়ার ব্যবস্থা করে তখন সিই সিনেমার টিকেট মূল্য অবশ্যই অনেক বেশি হবে যা কিনা এই দর্শকদের নেই । আর সিনেমা হলগুলোর যে অবস্থা তাতে মনে হয় না ভদ্র ফ্যামিলির কেউই ওই সিনেমা দেখতে হলে যাবে । সিনাম হলের নাম শুনলেই তো মানুষ নাক সিটকায় । সেই হিসেবে হল মালিকেরা নিজেদের ব্যার্থতার দায় এড়াতে পারেন না

অন্যদিকে পরিচালকদের , প্রযোজকদের কথা হচ্ছে ভারতীয় সিনেমা মুক্তি পেলে কেউই আর এদেশের সিনেমা দেখতে চাইবে না । সো আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস । আমার কথা হচ্ছে কেন আপনারা ভয় পান ? আপনাদের কি নিজেদের সামর্থ্যের উপরই কোন বিশ্বাস নেই ? নাকি নিজেদের মাথার(ডাস্টবিনও বলা যায়) সব আবর্জনা দর্শকদের কাছে ফাঁস হয়ে যাবে ? আমাদের পরিচালকেরা শুধু নাম সর্বস্ব আন্দোলন করতেই পারদর্শী । অন্য কাজে ঠনঠনা । সব পরিচালকদেরই দেখা আছে , দেখা আছে তাদের সিনেমা । বাংলাদেশের অনেক নামী দামীই নাম সর্বস্ব পরিচালকই ভারতীয় সিনেমা আগ পিছ করে সিনেমা বানান । গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও আমজাদ হোসেনও এর ব্যাতিক্রম না । তাহলে সেই সিনেমা মানুষ কেন দেখতে যাবে ?

একটা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি উন্নতির জন্য কি ৪০ বছর যথেষ্ট সময় নয় ?? আর কত সময় দরকার আমি জানি না । ৪০ বছরে আপনারা কি দিতে পেরেছেন ? শুধু কপি পেস্ট করা সিনেমা ছাড়া । ১৫ দিনে বানানো(রেকর্ডটা মনতাজুর রহমান আকবরের দখলে) একটা সিনেমায় আমরা পাব ? একটা সিনেমা তাড়াহুড়া করে শুধু বানিয়ে মুক্তি দিলেই হয়ে গেল না । শুধু পোস্টার ছাপানো ছাড়া নেই সিনেমার কোন প্রচার , নেই সিনেমা হিট করার কোন সুদূরপ্রসারী চিন্তা । সিনেমা তাহলে আমাদের কাছে পৌছাবে কি করে ।

একসময় আশ্লীলতা সিনেমাকে গ্রাস করেছিল । তা এই অশ্লীল সিনেমা কারা বানাতো ? এফডিসির পরিচালকেরাই তো তাই না ? অভিনয় শিল্পী কারা ছিল এফডিসির শিল্পীরাই তো তাই না ?? কেন সেই শিল্পীরা পারেনি অশ্লীল মুভি বর্জন করতে ? আজকের সাকিব খান সেই সময়ের একজন নামিদামী অশ্লীল শিল্পী ছিলেন । শাকিব খান ময়ূরী জুটি ছিল সেই অশ্লীল সিনেমার হিট জুটি । কেন তিনি তখন সেটা বর্জন করতে পারেন নি ? আমাদের একটা সিনেমার বাজেট যেখানে দেড় থেকে দুই কোটি টাকা সেখানে খান সাহেব পারিশ্রমিক হিসেবে নেন ৫০ লাখ টাকার উপরে । বাকি টাকা দিয়ে কেমন মুভি বানানো যাবে তা বোঝাই যায় । কেন শাকিব খান কি পারেন না সিনেমার স্বার্থে নিজের পারিশ্রমিক কমাতে । তাহলে আমি কিভাবে বলব সিনেমার এই মানুষগুলো সত্যি সিনেমার প্রতি ডেডিকেটেড !!


অশ্লীলতার যুগে বাংলা সিনেমার একটি পোস্টার


আমি অবশ্যই সিনেমা হলে গিয়ে বাংলাদেশে নির্মিত সিনেমা দেখতে চাই । কিন্তু কষ্টকর হলেও সত্যি অধিকাংশ সিনেমা এমনই যে সেগুলো দেখতেও রুচিতে কিছুটা আঘাত লাগতে বাধ্য । উদ্ভট সাজ সজ্জা আর গল্পের সিনেমা আমি কেন দেখতে যাব ? একই গল্প বার বার দেখতে কেন যাব ? নকল করে সোজা কথায় কপি পেস্ট করা সিনেমা দেখতে কেন যাব ? হ্যা অবশ্যই বলিউডের মুভি কপি হয় কিন্তু আমাদের এখানে তো কেউ খুব ভাল মত কপি করার মতও পরিচালক নেই । কেন অন্য দেশের সিনেমা কপি না করে শুধু ভারতীয় সিনেমাই কপি করা হয় ? এর মানে কি এই যে আমাদের পরিচালকেরা শুধু হিন্দি সিনেমাই দেখেন । যে সিনেমা হলিউড থেকে কপি করে বলিউডে বানানো হয় তারও অনেক পরে বাংলাদেশে কপি করা হয় । যেমনঃ মাই বেস্ট ফ্রেন্ডস ওয়েডিং >> মেরে ইয়ার কি শাদি হ্যায় >> শুভ বিবাহ(দেবাশিষ বিশ্বাস) । কেন সরাসরি হলিউডি মুভি কপি করতে পারেন না ? এর জন্যই আমার মনে হয় আমাদের পরিচালকেরা আসলেই মেধাশুন্য( ব্যতিক্রমও আছেন তবে সংখ্যায় খুবই কম , সবাই তো আর জহির রায়হান , আলমগীর কবির বা তারেক মাসুদ নন) । পরিচালক কতটা মেধাশুন্য হলে এমন সিনেমা বানাতে পারে নিচের ভিডিওটিই তার প্রমাণ

শাকিব খান বুয়েটের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার

আমি পকেটের টাকা খরচ করে কার সিনেমা দেখতে যাব ?


এর ?


না এর ??

শাবনূর , অপু বিশ্বাস ? এর চেয়ে চিড়িয়াখানায় গিয়ে হাতি দেখলেও পয়সা উসুল । সত্যি করেই বলছি শাবনূর বা অপু বিশ্বাসের স্থূল শরীর দেখার চেয়ে আমার কাছে ক্যাটরিনার চিকনি চামেলীই বেশি ভাল লাগে

সবশেষে একটা সত্য ঘটনা অবলম্বনে জোকসঃ

গত বছর ঈদে মুক্তি পাওয়া শাকিব খানের একটি সিনেমার বক্স অফিস খবরাখবর জানতে এক সাংবাদিক গেছেন রাজমনী সিনেমা হলে । হলের ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করলেন দর্শক কেমন ? ম্যানেজারের উত্তর "আসলে আমাদের বেশির ভাগ দর্শকই হচ্ছে গার্মেন্টস কর্মীরা , আর ঈদের ছুটিতে তারা ঢাকার বাইরে আছে , আশা করি তারা ঢাকায় ফিরলেই সিনেমটা হিট করবে"

হা হা হা

পুরো পোস্টে একটা জিনিসই প্রমাণিত হয় "ব্যাথা সারা গায় , ঔষুধ দেব কোথায়" হা হা হা

১৫ অক্টোবর, ২০১১

আমার পর্ণবেলা , কঠিনভাবে ১৮+ । বাচ্চারা দূরে থাকো

গতপোস্টের পর আজ আবার "আমার পর্ণবেলা" কৈশোরকালে ঘটে যাওয়া কিছু মজার ঘটনা নিয়ে লেখা । ১৮+ একটা পোস্ট । অবশ্যই নিজ দায়িত্বে পড়বেন
"
"
"
"
"
"

চটি কাহিনী ১: ডিসেম্বর মাস । স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ । স্কুল বন্ধ । অনানুষ্ঠানিকভাবে ক্লাশ এইটে উঠেছি । স্কুল খোলার আগেই আমরা কোচিং এ যথারীতি এইটের ক্লাশ শুরু করে দিয়েছি । যেহেতু বন্ধ তাই স্টুডেন্ট কম ছিল । আর তাই আমরা দুই শিফট মিলে শুধু সকাল বেলা কোচিং করতাম । সেখানেই দেখা স্কুলের ডে শিফটের বন্ধুদের সাথে । ডে শিফটের বন্ধুরা কেমন তা আগেই পোস্টেই পড়েছেন । যাই হোক ডিসেম্বরের সেই ২০ টি দিন ছিল একদম স্বপ্নের মত । কি করিনি সেই ২০ দিন । এর মধ্যেই একদিন এক বন্ধু এসেই ঘোষণা করল । আজ আনছি , জিনিস একখান । বুঝতে বাকি রইল না জিনিস কি । কিন্তু আসলে আমি তখনও বুঝিনি কি জিনিস । ক্লাশে বের করা যাবেনা । তাই অপেক্ষা করছি ছুটি হওয়ার । ছুটি হওয়ার পর বন্ধু বের যা বের করল তা আমার কল্পনাতেও ছিল না । একদম বই । চটি বই । মনে মনে বললাম এই তাহলে সেই বিখ্যাত চটি । যাই হোক আমরা কয়েকজন বন্ধু সেটা ধার নেয়ার জন্য মুটামুটি প্রতিযোগিতা শুরু করে দিলাম । কিন্তু টাকার কাছে সবই নস্যি । আমি ঘোষণা দিলাম আজ আমাকে ধার দিলে পাঁচ টাকা দেব । সেই জমানায় পাঁচ টাকা অনেক । তাই বই আমিই পেলাম । আমি উত্তেজনার সাগরে ভাসছি । এইবার আসলেই একখান জিনিস পড়ব ।

দুরুদুরু বুকে বাসায় গেলাম । বইটা হাতে নিতে আর তর সইছে না । সুযোগ খুঁজছি কখন পড়ব বলে । সুযোগ আর পাইনা । এদিকে উত্তেজনা ক্রমশ বেড়েই চলছে । অবশেষে বুদ্ধি একটা বের হল । ভাবলাম ছাদের গিয়ে পড়ব । দুপুরের পর ছাদে মুটামুটি কেউ যায় না । সো ধরা পরার সম্ভাবনা কম । গিয়ে বসলাম একটা গাছের ছায়ায় । কিছুটা আরালে । ছাদে এলে কেউ আমাকে সরাসরি দেখবে না এমন পজিশনে । এরপর শার্টের নিচ থেকে আস্তে করে বের করে আনলাম বহু কাঙ্খিত সেই জিনিস । বইটার নামটা আমার এখনও মনে আছে "যৌবন জ্বালা" লেখক ছিল মনে হয় "তারাদেশ পান্ডে"। গল্প ছিল পাঁচটা । গল্পের নামগুলা না হয় নাই বললাম । আহ নিবিষ্ট মনে একাগ্রচিত্তে আমি চটি পড়া শুরু করলাম । কখন যে বইয়ের যৌবনের রসে আমিও ডুব দিয়েছি জানি না । খেয়াল তখন যখন আম্মুর চিৎকার কানে এল "দুপুর বেলা ঘুমাবার সময় ছাদের উপর লুকিয়ে লুকিয়ে গল্পের বই পড়া..!! দাঁড়া তোর আব্বু আসুক আজকে "

প্রথমে প্রচন্ড ভয় পেলেও মনে মনে বললাম "আহ শান্তি , আম্মু কিছু বুঝে নাই"


চটি কাহিনী ২: পরিচিত এক বড় ভাইয়ের(এক ক্লাশ সিনিয়র) কাহিনী এটা । উনাকে বলা যায় মোটামুটি চলমান একটা চটি বইয়ের লাইব্রেরী । বিশাল বড় কালেকশন । ব্যাগ ভর্তি শুধু চটি । যতটা না পাঠ্যবই তার দ্বিগুণ চটি বই । স্কুলে রীতিমত হার্টথ্রুব জনপ্রিয় মানুষ । বন্ধুরা চটির জন্য ধরণা দিত । আর সে তার ভাব বারতো । কিন্তু উনি ধার দিতেন( ক্লোজ বড় ভাই তাই আমিও নিতাম । তো একদিনের ঘটনা । উনি স্কুল থেকে বাসায় গেছেন । ব্যাগ রেখে টিভি দেখছেন । এদিকে তার ছোটবোন ক্যালকুলেটর খুজতে ব্যাগে হাত খুলছে । খুলতেই সবগুলো বই হাতে এসে পরল । প্রসংগ উনার ওই বইগুলাতে গল্পের পাশাপাশি রঙিন ছবিও ছিল । সেই জন্যই ওনার ছোটবোন বুঝে ফেলছে । দৌড়ে সোজা ওর আম্মুর কাছে


চটি কাহিনী ৩: এটা ক্লাশ টেনের ঘটনা । আমার এক বন্ধুরঘটনা এটা(নাম উল্লেখ করলাম না) । ওদের বাসা ছিল অন্য এলাকায় । আমাদের এলাকায় ছিল ওর নানা বাড়ি । ওই সময় ও ছিল ওর নান বাড়ি মানে আমাদের এলাকায় । প্রতিদিন আমরা আড্ডা দিতাম ঘুরতাম , ক্রিকেট খেলতাম । এরমধ্যেই হঠাত একদিন আমাকে বলল চল কিনে আনি । আমি বললাম কি ? ও বলল চটি । ততদিনে চটি থেকে ভিডিওতে আপডেট হলেও ভিডিও অ্যাভেইলেবল না হওয়াতে আমরা চটিই বেশি পড়তাম । আমি বললাম এই বাসায় চটি পড়বি কেমনে ?? ও বলল সুযোগ আছে । যা কাহিনী ঘটছে এখন আর ধরা খাওয়ার ভয় করিনা । আমি বললাম কি রকম ?? ও বল আর বলিস না আম্মুর কাছে ধরা খাইছি চটি নিয়া । আমি বললাম কেমনে ?? ও বলল বিছানার নিচে রাখছিলাম । বাইরে থেকে এসে দেখি নাই । যদি আন্টি না হয়ে অন্য কেউ হয়ে থাকে ?? নাহ আম্মু ছাড়া ওই রুমে আর কেউ ঢুকবে না । সো আম্মুই দেখছে । আমি বললাম বাপরে

উল্লেখ্য কয়েকমাস পরই আমার এই বন্ধুটি আমাদের কোচিং ক্লাশমেট এক মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে আসে । কোন উচ্চবাচ্য ছাড়াই ওর ফ্যামিলি সবকিছুই সুন্দরভাবে মেনে নিয়েছিল ।

আহ সব মা বাবাই যদি বুঝতেন ছেলের বিয়ের বয়স হইছে , তাহলে কতই না ভাল হত

প্রথম পর্ব আমার পর্ণবেলা , কঠিনভাবে ১৮+

ফেছবুক পেজ স্বপ্নব্লগ , যেখানে স্বপ্নের শুরু ফেছবুকে আমাদের সঙ্গেই থাকুন

১১ অক্টোবর, ২০১১

আমার পর্ণবেলা , কঠিনভাবে ১৮+ ।

পোস্টের শুরুতেই কিছু কথা বলে নেয়া ভাল । অবশ্যই এটা একটা ১৮ পোস্ট । এবং এই পোস্টে যা আছে তা একটা বয়সে সবার ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে । সো ব্যাপারটা কেউ অন্যভাবে নেবেন না

"
"
"
"
"

১ম অভিজ্ঞতা , ছোট পর্ণ কার্ড দেখাঃ এখনও মনে আছে । সেই ক্লাশ সেভেনের কথা । তখন বন্ধুদের কাছে ছেলে মেয়ে সম্পর্ক নিয়ে কিছু কিছু শুনি । কিন্তু যাই শুনি কিছুই বিশ্বাস করতাম না । আমার মনে হত নাহ এটা হতেই পারে না । মানুষ এত খারাপ হতেই পারেনা । আর বন্ধুরা খেপে যেত এই কথা শুনে । ওরা আমাকে বিশ্বাস করিয়েই ছাড়বে । যেই ভাবা সেই কাজ । পরদিন এক বন্ধু(আমাদের ক্লাশের সবচেয়ে দূরন্ত ও দুষ্ট ছেলে) নিয়ে এল মোক্ষম সেই জিনিস । গুণে গুণে তিনটা কার্ড । আমরা সবাই কিছুটা উত্তেজিত । কখন দেখব কখন দেখব । আমাদের আর তর সইছে না । ৪৫মিনিটের ক্লাশ যেন আর শেষ হতেই চায় না । ক্লাশেও কারও মন বসে না । সবার তখন একটাই চিন্তা কি থাকবে ওই কার্ডে । অবশেষে এল সেই মোক্ষম সময় । ক্লাশের পেছনের বেঞ্চে গিয়ে সবাই বসলাম । এবং ভাগ্য আমাদের এতই ভাল এই ক্লাশটা অফ । স্যার আসেনি । ছাত্ররা যেন গ্যাঞ্জাম না করে এই জন্য ক্লাশ ক্যাপ্টেন সামনে দাঁড়িয়ে নাম লিখতে শুরু করল । কিন্তু কিসের কি । আমরা তখন কার্ড দেখার চিন্তায় বিভোর । এরপর তন্ময় বের করল সেই জিনিস । আরে জিনিসও একখান । আগে কখনওই দেখি নাই । বাপরে সে কি স্ট্যাইল । ৭ জন পোলাপান আমরা তিনটা কার্ড । টানাটানি হুড়োহুড়ি । তবুও দেখার স্বাদ মেটেনা । এদিকে ক্লাশে এমন গ্যাদারিং দেখে ক্লাশ ক্যাপ্টেন অনিক এগিয়ে ঘটনা কি দেখতে । অতি ভদ্র অনিক কার্ড দেখে দুই হাতে মুখে দিয়ে বলে উঠল " হায় আল্লাহ তোমরা এইসব কি দেখ "

ভয়াবহতম দ্বিতীয় ঘটনাঃ তখন ক্লাশ এইটে উঠছি । যাকে বলে পুরোপুরি উন্মাদ আমরা । কার্ড ছাড়া চলছেই না । কয়েকবন্ধু মিলে দরকার হলে কার্ড কিনতাম , তবুও নতুন নতুন কার্ড দেখা চাইই চাই । এভাবে ২০ টার মত কার্ড জমিয়েছিলাম । ঘুমানোর আগে কিছুক্ষণ দেখে বিছানার নিচে রেখে ঘুমাতাম । ভালই কাটছিল দিনগুলো । এরপর একদিন আব্বু আমাকে বলল " তোষক উঠিয়ে ছাদে যাওয়ার সময় তোমার বিছানায় কিছু কার্ড পেয়েছিলাম , আমি সেগুলো ফেলে দিয়েছি , খুজে খুজে আবার হয়রান হইয়ো না "

কার্ড নিয়ে বিচ্চিন্ন কয়েকটা মজার ঘটনাঃ তখনও কার্ডই আমাদের কাছে সেরা পর্ণ । যার কাছেই একটা কার্ড আছে সেই মুটামুটি সকলের কাছে কাংখিত মানুষ । কিন্তু এভাবে সকলের কাছে চেয়ে চেয়ে দেখতে আর ভাল লাগছে না । এবার আমার এক বন্ধু প্ল্যান করল ও নিজেই কয়েকটা কার্ড কিনবে । আর পুরো শহরে বুড়ো চাচার দোকান ছাড়া আর কোথাও কার্ড পাওয়া যায় কিনা কেউই জানি না । তো একদিন স্কুল ছুটির পর আমি আর আমার বন্ধু গেলাম সেই দোকানে । একটা সিনেমা হলের পাশেই ছিল দোকানটা । আর ওইসময়ের সিনেমার কথা কি বলব । এক টিকিটে দুই মুভি । তাই ওই এলাকায় গেলেই কিছুটা ভয় লাগত । কেউ যদি দেখে ফেলে । বুকটা দুরু দুরু করছে । দুরু দুরু বুক নিয়ে ঢুকলাম দোকানে । হাতে নিয়ে কার্ড পছন্দ করছি(আসলে দেখতেছি , সবগুলো তো কেনা সম্ভব না) । হঠাত স্কুল পুড়ুয়া আমাদের বয়সি দুইটা মেয়ে এল । ইস লজ্জায় আমরা শেষ । যাই হোক মেয়ে দুটো দোকানে ঢোকার পর বুড়ো চাচা আমাদের বেরিয়ে যেতে বললেন । রাগ যা লেগেছিল না । শালা মেয়েদের এখনও লুল হয়ে যায় । আমরা দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি । মেয়ে দুটো কার্ড দেখছে । হঠাত একটা মেয়ে বলে উঠল "দেখ এই মেয়েটা বুবস আমারটা থেকে কয়েকগুণ বড় হবে , বলেই খিল খিল হাসি "


আরেকদিনের ঘটনা । এবার পরীক্ষার হলে । পরীক্ষার দিন আমাদের পাশে ক্লাশ নাইনের সিট পরেছে । বড় ভাইরা পরীক্ষা দিচ্ছে । হঠাত আমাদের স্কুলের সবচেয়ে লুল মার্কা স্যার সাইদুর স্যারের চোখ পড়ল এক বড় ভাইয়ের মানিব্যাগের দিকে । ব্যাগটা ফুলে প্রায় ঢোল । স্যার ব্যাগটা চেয়ে নিজের কাছে নিয়ে আপন মনে সব কাজ টাকা বের করে দেখতে লাগল । এর মধ্যে বেড়িয়ে পড়ল সেই জিনিস । স্যারের চোখ তো আর সরে না । গুণে গুণে ৫২ টা কার্ড স্যার অনেক সময় নিয়ে দেখলেন আর হাসলেন । বড় ভাই তো লজ্জায় মাথা নিচু করে আছে । বেচারা কিছু লিখতেও পারছে না । অবশ্য স্যার ভাল মত কার্ডগুলো ব্যাগে ভরে আবার ফেরত দিল । আর দেয়ার সময় বলল " এত বড় হইছছ এখনও কার্ড দেখস কেন "



এটাও আমাদের ক্লাশরুমের ঘটনা । আমরা ছিলাম মর্নিং শিফট । তাই ডে শফটের ছাত্রদের অনেক কর্মকান্ডই আমাদের ক্লাশে থেকে যেত । প্রতিদিনের মত সেদিনই যথারীতি বসেছি ক্লাশের মাঝখানের বেঞ্চে । বন্ধু মামুন হঠাত করেই বেঞ্চের নিচে পেয়ে গেল একটা কার্ড । সবাই সেটা দেখার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করল । কার্ড ঘুরতে লাগল এক হাত থেকে আরেক হাতে । কিন্তু সবচেয়ে দূর্ভাগা ছিল সজীব । বেচারা যেই কার্ড হাতে নিয়ে দেখতে লাগল । হঠাত স্যারের হুঙ্কার । তোর হাতে কি ? পড়বি তো একেবারে মালির হাতে । স্যার ছিলেন আমাদের আরবী স্যার । কার্ডটা হাতে নিয়েই স্যারের হুঙ্কার "নালায়েক , জানোয়ার ক্লাশের মধ্যে এসব কি " বলেই পেটাতে লাগল বেচারাকে


পরের অংশ আগামীকাল । শুভ রাত্রি

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১১

ছেলেদের ফেছবুক স্ট্যাটাস সমগ্র (ছেলেদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থণা পূর্বক)

কয়েকদিন আগে দিয়েছিলাম ফেছবুকে মেয়েদের স্ট্যাটাস । মেয়েদের স্ট্যাটাসের ব্যাপক সাফল্যের পর এবার দিচ্ছি ছেলেদের স্ট্যাটাস ।

সবাই জানেন মেয়েদের হাচি দেয়া স্ট্যাটাসেও কমেন্ট আর লাইকের বন্যা বয়ে যায় । কিন্তু সেখানে ছেলেদের একটা সুন্দর কাব্যিক স্ট্যাটাসও যেন ধূ ধূ মরুভূমি । ছেলেদের স্ট্যাটাস খুঁজতে গিয়ে সেটা আবার নতুন করেন উপলব্ধি করলাম । ছেলেরা মূলত কাব্যিক ছ্যাকা খাওয়া বা কোন গানকে স্ট্যাটাস হিসেবে দিয়ে থাকে । ছাড়া শুধু স্ট্যাটাস দেয়ার জন্য সাম্প্রতিক কোন ঘটনাকে উল্লেখ করে থাকে , যেন স্ট্যাটাস দিলে ভাত হজম হবেই না । যাই হোক দেখুন ফেছবুকে ছেলেদের স্ট্যাটাস কেমন হয় । লাইক ও কমেন্টার সংখ্যা এই জন্য যে বোঝা যাবে কেন ছেলেদের স্ট্যাটাসকে মরুভূমির সাথে তুলনা করা হয়

ফেছবুকে ছেলেদের স্ট্যাটাস যেমন হয়........



১. এক অন্ধকার কুঠুরিতে আটকে আছি.... বের হবার পথ খুজে চলেছি.... আশাকরছি একদিন সেই দরজার খোজ পাবো.... (২২ মিনিটে লাইক কমেন্ট নাই )

২. আমার একাউন্টে ভূত ঢুকল কিনা বুঝতে পারছিনা , সবকিছু উল্টাপাল্টা লাগতেছে.. (১ ঘন্টায় ৩ টা লাইক(১জন কমেন্টাকারী) ২ টা কমেন্ট ) । ভূতই আইব , মাইয়া না

৩. আমি যেমন আমার বন্ধুবান্ধব পচাইতে ভালবাসি, ওরাও আমাকে ইচ্ছামত পচানোর ট্রাই করে ! জয়তু ফ্রেন্ডস..!!! (১ দিনে লাইক পড়ছে ৯টা) এখানেও বন্ধুরা পচাইনাইক্কা

৪. ব্রেকিং নিউজ: আত্মঘাতী এক লোক ভুল করে তার যমজ ভাইকে খুন করে ফেলেছে! (২দিনে লাইক পরছে ৪টা) খুন খারাবিও আজ মানুষকে টানে না

৫. মাঝে মাঝে এটা জানাও পাপ যে " কিভাবে মেয়েদের কাছে টানতে হয় " (২দিনে লাইক পরছে ৬ টা , কমেন্ট ২টা , ১জন লাইককারী কমেন্টে করছে) জানলেই মাইয়ারা লুইস কইব যে

৬. " গাইবনা আর কোন গান তুমি ছাড়া । লিখব না আমি আর তুমিহীনা কবিতা "..(২দিনে লাইক ৫ টা , কমেন্ট ২ টা) যে গান আর কবিতা কেউ হুনেনা তা লিইখ্যা কি লাভ


এই ব্লগের ফেছবুক পেজ স্বপ্নব্লগ , যেখানে স্বপ্নের শুরু

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | coupon codes