লেবেল

নিজেকে এখনও গুছিয়ে নিতে পারিনি

১৪ জুলাই, ২০১১

আবারও যৌন নির্যাতন , আবারও মাদ্রাসা শিক্ষক । মাদ্রসা শিক্ষা ব্যবস্থা আজ কোথায় ??


আবারও যৌন নির্যাতন , আবারও মাদ্রাসা শিক্ষক । আজকের প্রথম আলোর খবরটা পড়ুন ছাত্রকে যৌন নির্যাতন, মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে

গত কয়েকদিনের পত্র পত্রিকা ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের খবরাখবর নিয়ে বেশ গরম । পরিমল কাহিনীর পর টানা কয়েকদিন পত্রিকায় ধর্ষণের খবর আসছে । দেখুন গত কয়েকদিনের ধর্ষণের খবরগুলো ।

১. ১৩ বছরের বালিকা ধর্ষণের শিকার ৭৫ বছরের মক্তব শিক্ষকের কাছে
২. স্কুল ছাত্রীর ধর্ষনের ছবি ইন্টারনেটে দেয়ার অভিযোগে মাদ্রাসা ছাত্রের নামে মামলা
৩. চুয়াডাঙ্গায় শিশু ধর্ষণের শিকার
৪. উখিয়ায় অপহরণের পর শিশুকে ধর্ষণ!
৫. ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আখাউড়ায় শিক্ষক গ্রেপ্তার
৬. ‘মাইয়াডারে নিইয়া অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিছি’

এরই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ উদাহরণ হল আজকের এই ঘটনা । ফেছবুকে পাভেল ভাই একটা লিঙ্কটা শেয়ার করেছেন এভাবে
Pavel Mohitul Alam
‎'পরিমল-জাকির'দের কোনো ধর্ম নেই। এদের একটাই পরিচয়- এরা ধর্ষক!
'ছাত্রী' না, 'ছাত্র'কে যৌন নির্যাতন করে গ্রেফতার হয়েছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জাকির।
যারা এতদিন বলেছেন, বোরকা পড়লে কোনো মেয়ে ধর্ষিতা হয় না, তারা এখন কী বলবেন? ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচার জন্য এই ছেলেটারও কি বোরকা পড়া উচিৎ ছিল?


কিছু হুজুর টাইপ মৌলানা মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়া এত লাফালাফি করেন , আচ্ছা বলুন তো মাদ্রাসা তাহলে কি শেখাচ্ছে ?? মাদ্রাসা থেকে কি নৈতিকতা মুছে গেল ? ধর্ষণগুলোর তালিকা থেকে দেখা যায় স্কুলের শিক্ষকেরা যেমন যৌন নির্যাতন করে তেমনি মাদ্রাসার শিক্ষকেরাও বাদ যান নি । তাহলে প্রশ্ন উঠে মাদ্রাসায় কি নৈতিকতা শিক্ষা দেয়া হয় না ?? এমন নির্যাতনকারী হুজুর মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কি নৈতিকতা শিক্ষা দেবেন তা আমার বোধগম্য না । ভাবতে কষ্ট হয় এত এককালের সনামধন্য মাদ্রাসার আজ এ হাল কেন ? এর জন্য দায়ী কে ? উগ্র মৌলবাদ নয় তো ?

পত্রপত্রিকায় ধর্ষণের কোন খবর এলেই কিছু হুজুর টাইপ ব্লগার মেয়েদের পোষাক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন । তাহলে আজকের ঘটনায় পাভেল ভাইয়ের মত বলতে হয় "ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচার জন্য এই ছেলেটারও কি বোরকা পড়া উচিৎ ছিল?"

ধর্ষণের লিস্টটা ব্লগার নষ্ট নীড়ের গত দিনের ধর্ষন সমাচার পোস্ট থেকে নেয়া । তাই কৃতজ্ঞতা তার প্রতি

৩ জুলাই, ২০১১

দেশের সম্পদ রক্ষায় টোকাইদের হরতাল ও টোকাইদের উপর পুলিশি নির্যাতন এবং একজন অসহায় টোকাইয়ের আর্তনাদ


আমি কোন দল করিনা । কারও আদর্শ আকড়ে ধরে পরেও থাকি না । আমি শুধু বুঝি কোনটা ভাল আর কোনটা মন্দ । আমি হরতাল সমর্থন করিনা । কারণ এমনিতেই ছুটির ফাঁদে বহির্বিশ্বের সাথে ব্যবসা যেনতেন । এর মধ্যে হরতাল বাজায় দেশের বারটা । তাই সারাজীবন হরতাল থেকে দূরেই থেকেছি । কিন্তু প্রথমবারের মত আজ মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপসের সঙ্গে সরকারের চুক্তির প্রতিবাদে তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকা অর্ধদিবস হরতালে আমি সমর্থন দিয়েছি । কেন দিয়েছি ? হা হা হা...কেন দেব না ? বিদেশী একটা কোম্পানী আমাদের সম্পদ লুট করে নিয়ে যাবে আর আমরা তা সহ্য করে যাব ? না , কখনই না

আমি টোকাই । হ্যা আমি একজন টোকাই । আমি তথাকথিত দেশপ্রেমিক না । কিন্তু জন্মসূত্রে আমি এই মায়ের সন্তান । আর উত্তরাধিকার সূত্রে আমার মায়ের সম্পদের উপর আমার ভাগ আছে । দেখি আমার মায়ের সম্পদ আমার থেকে কে কেড়ে নিতে আসে ।


হ্যা আজকের হরতাল ছিল বাঁচা মরার লড়াই । সরকার(দেশপ্রেমিক) এর সাথে টোকাইদের লড়াই । আর টোকাইরা কিন্তু নিজেদের অধিকার কখনই ছাড়ে না ।



টোকাইদের উপর আওয়ামী ফ্যাসিবাদী তথাকথিত দেশপ্রেমিক সরকারের লেলিয়ে দেয়া পুলিশের নির্যাতন ।




এরা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী না । এরা দেশপ্রেমিক না । এরা টোকাই । কিন্তু এদের দেশের প্রতি ভালবাসা আছে । দেশের সম্পদ রক্ষার জন্যই এরা আজ রাস্তায় নেমেছে । টোকাইদের উপর পুলিশের এমন হামলার প্রতিবাদ জানাচ্ছি



সরকার বলে হরতালকারীরা নাকি দেশদ্রোহী । দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার প্রতিবাদ যদি দেশদ্রোহীতা হয় , তাহলে ঘর , জমি , নিজেদের স্বার্থের জন্য হরতাল দেয়া বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও তথাকথিত রাজনৈতিক দলগুলো কি ???


আমাদের সম্পদ আমাদের আগামী দিনের উন্নতির পাথেয় । আগামী প্রজন্মের কাছে একটা সুন্দর বাংলাদেশ রেখে যেতে চাইলে এই সম্পদ আমাদেরই দরকার । না হলে আগামী প্রজন্ম কিন্তু আমাদের ক্ষমা করবে না ।


সবগুলো ছবি ফেছবুক থেকে নেওয়া

২২ জুন, ২০১১

ব্লগের ভাঙা গড়ার খেলা । টেমপ্লেট ডিজাইন অভিযান

একটা ব্যাক্তিগত ব্লগ খুলেছি সেই কবে । কিন্তু নিয়মিত পোস্ট করা হচ্ছে না । সেই সাথে দেয়া যাচ্ছে না ব্লগকে একটা আকর্ষণীয় চেহারা । কত টেমপ্লেটই যে লাগাম । কিন্তু চোখ আর ভরে না । তাই কিছুদিন ব্লগ ডিজাইন করা থেকে দূরে ছিলাম । কিন্তু অনেক আনাড়ী মানুষের কাছেও সুন্দর সুন্দর ব্লগ টেমপ্লেট দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না । নিজের ব্লগের দিকে তাকিয়ে বললাম ধরছি তরে । আইজ সুন্দর বানাইয়া ছাড়মুই । দিলাম গুগোলে সার্চ । আসল অনেক টেমপ্লেট । কিন্তু আমার যে কি চোখ আল্লাহ জানেন । কোনটাই পছন্দ হয় না..!! ও আল্লাহ তাইলে উপায় ?? যখন আমি চোক্ষে আন্ধার দেখতাছি তখনই পাইলাম এই সাদামাটা কিন্তু সুন্দর টেমপ্লেটটা । দিলাম ডাউনলোড , করলাম এক্সট্রাক্ট । আহ টেমপ্লেটটা লাগানোর পর যা খুশি লাগছে না । কি আর কমু

১৫ জুন, ২০১১

একজন নির্যাতিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষিকা রুমানা মনজুর এবং আমরা .....

কালকের প্রথম আলোতে পারিবারিক নির্যাতনের ভয়াবহ রূপ শিরোনামের লেখাটা নিশ্চয় পড়েছেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপিকা রুমানা মনজুর কে কিভাবে তার পাষন্ড স্বামী নির্যাতন করেছেন । যিনি এখন ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন । নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি ও তার মেয়ে আনুশা । রুমানা মনজুরের ভাষায় " কক্ষে ঢুকেই পেছন থেকে হামলা চালায় ও। চুলের মুঠি ধরে দুই চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দেয়। কামড়ে নাক-মুখ ক্ষত-বিক্ষত করে। রক্তে পুরো শরীর ভরে যায়। একপর্যায়ে মেঝেতে পিছলে পড়ি নিজের রক্তের ওপর  " ।


ডাক্তারের ভাষ্যমতে, রুমানা মনজুরের বাঁ চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ডান চোখে দেখতে পারবে কি না, তা-ও অনিশ্চিত।’


রুমানা মনজুরের স্বামী হাছান সাইদ বুয়েট থেকে পাশ করা একজন ইঞ্জিনিয়ার । ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া একজন ছাত্র হিসেবে নিজেকে ছোট মনে করেছিলাম । মনে করেছিলাম আমরা কি এই শিখছি ?? ভাবতে কষ্ট হয় কিভাবে একজন শিক্ষিত মানুষ নিজের স্ত্রীর উপর এমন পাশবিক নির্যাতন করতে পারে । অবশ্য সে যদি আসলেই মানুষরূপী জানোয়ার না হয়ে থাকেন । প্রথম আলোতে কয়েকজন পাঠকের মন্তব্য দেখুন


Abdullah al-mamun. রংপুর
১. সমাজের একজন প্রতিষ্টিত নারীর যদি এই দশা হয় তবে সাধারন নারীদের অবস্থা কেমন যাচ্ছে একটু ভাবুন।


Prabir Paul
২. সাইদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পাস করা প্রকৌশলী! সাবাস ! লেখা পড়া করে অনেক উচু ধরনের মানুহুস হয়েছে সাইদ। এমন অমানুষ হয়েছে যে তাকে গহিন বনে নিয়ে রাখলে হিংস্র পশুরা বন্ধু ভাববে । থু দেই এই শিক্ষার কপালে । এটা নি:সনদেহে আমাদের অসুস্থ্য সমাজের পরিস্কার চিত্র ।


Sajid
৩. এই বিষয়ে কি মন্তব্য করবো তার ভাষা সত্যিই আমার জানা নাই। আমি নিজেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর একজন প্রাক্তন ছাত্র। বর্তমানে উচ্চশিক্ষার্থে দেশের বাইরে আছি। কাজ না থাকলে মানুষের মাথা যে শয়তানের মাথা হয় এই কলাম এর "হাসান সাইদ" বিষয়ে আমার এখন এটাই শুধু মনে হচ্ছে। নারকিয়, পাশবিক , জঘন্য......।।


desh premik
৪. অমানবিক, ভয়ংকর! এমন পাষন্ড আর কুতসিত স্বভাবের মানুষ যে দেশে আছে সেটা মাঝে মাঝেই এসব খবরের মাধ্যমে জানা যায়। শিক্ষিত নামের কুশিক্ষিত এবং জঘন্য স্বভাবের মানুষ এমন কাজ করতে পারে, সেটা আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। অথচ, আমাদের সমাজেই লুকিয়ে আছে এমন হাজারো জঘন্য চরিত্রের মানুষ। আমরা রুমানার জন্য দোয়া করতে পারি আর পাষন্ড হাসানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি


Banglar Gaan
৫. এই ভদ্রলোক কে একটি খাঁচায় ভরে বাকি জীবনটা সুন্দরবনে রেখে আসা উচিৎ হবে, এবং খাঁচায় লিখে দিতে হবে "বন্যেরা বনে সুন্দর"।


shamim
৬. আমরা আজ কোন দেশে বাস করছি? আমাদের মন মানসিকতা এমন কেন? আমরা কি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এমন শিক্ষাই রেখে যাব? সাইদ এর পরিবারের এরকম কিছু ঘটলে ওকি এটা মেনে নিতে পারত? সাইদের শাস্তি জনসম্মুখে হওা উচিৎ । তাহলে এরকম ঘটনা ঘটানোর দুঃসাহস আর কেও পাবেনা। দোয়া করি রোমানা যেন খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠে।


রুমানার পাশে আজ দাড়িয়েছে তার সহপাঠীরা , তার ছাত্র ছাত্রীরা সহ সমাজের সকল বিবেকবান মানুষ । ফেছুবুকে গ্রুপ খোলার মাধ্যমে তার বন্ধুরা আন্দোলন গড়ে তুলছে এই পাশবিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে । আপনারাও শরীক হোন । চলুন ধিক্কার জানাই মানুষরূপী জানোয়ার হাছান সাইদকে । সমাজে আন্দোলন গড়ে তুলি আর যেন কোন নারী কোন শিক্ষিকাকে এমন ভাবে নির্যাতিত হতে না হয় । কারণ এরাই কিন্তু আমাদের কারও না কারও মা , কারও না কারও বোন আর কারও না কারও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ।

৫ মে, ২০১১

মৃধাতের জন্য ভালবাসা

মনে আছে মৃধাতের কথা ? ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া চট্টগ্রামের সেই শান্ত মেয়েটির কথা ? মৃধাত শারিমা রহমান । যে কিনা নৃশংসভাবে খুন হয়েছিল তারই বন্ধুর হাতে । মনে না থাকারই কথা । মৃধাত যে আজ আর আমাদের মাঝে নেই । চলে গেছে না ফেরার দেশে । আজ মৃধাতের জন্মদিন । আজ এই দিনে মৃধাতকে মনে পড়ছে খুব । তার জন্যই এই লেখা ।


প্রতিদিনের মত সেদিনও ঘুম ভেঙেছিল কিছুটা দেরি করে । ঘুম থেকে উঠে অভ্যাসবশত হাতে নিয়েছিলাম প্রথম আলো পত্রিকাটা । পত্রিকার দিকে তাকিয়েই চোখ আটকে গেল একটি খবরের দিকে । খুব সুন্দর একটি মেয়ের ছবি দেয়া । নিচে লেখা ভার্সিটি পড়ুয়া মেয়ে খুন । শিরোনামটা মনে নেই, কিন্তু এমনই কিছু ছিল । শিরোনামটি পড়ে আমি মেয়েটির ছবির দিকেই তাকিয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ । এরপর খুব দ্রুতই খবরটি পড়ে ফেললাম । পড়ার সময় ভাবছিলাম এও কি সম্ভব ?? পেপারে যা লিখা ছিল তা হল খুনিটার সাথে মৃধাতের সম্পর্ক ছিল । কিন্তু খুনিটা ছিল বখাটে । আর তাই মৃধাত চেয়েছিল সম্পর্ক শেষ করতে । তাই সে অন্য এক বন্ধুর বাসায় শেষবারের মত দেখা করতে গিয়েছিল তার প্রেমিকের সাথে । সেখানে ছাদের উপর মৃধাতের সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ের বখাটে ছেলেটি মৃধাতের উপর উপর্যপুরি ছুড়ি চালায় । হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃধাত চলে যায় না ফেরার দেশে । গ্রেফতার হয় খুনি সৌরভ ।


খবরটি পড়ে আমি আরও কিছুক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম ছবিটির দিকে । ভাবছিলাম কিভাবে সম্ভব ? মনের মধ্যে অগণিত প্রশ্ন এসে ভিড় করা শুরু করল । এত সুন্দর একটা মানুষকে কি কেউ খুন করে ? ভালবাসার মানুষকে কি কেউ খুন করতে পারে ? এত সুন্দর নিষ্পাপ মেয়েটির কি অপরাধ ছিল ? এ কেমন ভালবাসা যে ভালবাসা হিংস্রতার জন্ম দেয় ? সারাদিন ভেবেও কোন জবাব পাইনি । নিজের কাছেই নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিল । একটা ছেলে খুন করেছে ওকে । আমারই মত কেউ একজন । একটা ছেলে, একটা মানুষ । কিন্তু না পরক্ষণেই মনে হল মানুষ না । তার তুলনা শুধু একটা পশুর সাথেই হতে পারে । মাঝে মাঝে বলি মৃধাত তুমি আমাদের ভুল বোঝনা । ওই একটা ছেলের জন্য সব ছেলেই খারাপ হতে পারে না । তোমার জন্য, তোমার হত্যাকারীর বিচারের প্রত্যাশায় তাকিয়ে আছে আমার মত আরও অনেক ছেলে । মৃধাত আমার কেউ ছিল না । আমি ওকে চিনিও না । কিন্তু ওর জন্য আমার কষ্ট কম হয়নি । মনে হয়েছিল খুব কাছের একজন বন্ধুকে হারিয়েছি আমি । খুব কাছের ।


আজ মৃধাত নেই । স্মৃতি হয়ে বেঁচে আছে সব বন্ধুর হৃদয়ে । মৃধাতকে কেউ ভুলে যায়নি । মৃধাতের জন্য মানববন্ধন করেছে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা । তার জন্য রাস্তায় নেমে এসেছিল সব মানুষ । মৃধাতের স্মৃতির জন্য বন্ধুরা খুলেছে ফেইছবুক ফ্যান পেইজ । ৭ হাজারের উপরে লাইক , প্রতিদিন মৃধাতের উদ্দেশ্যে পোস্ট প্রমাণ করে মৃধাতের প্রতি মানুষের ভালবাসা । মৃধাত তুমি উপর থেকে দেখছ তো আমাদের ?


আজ মৃধাতের জন্মদিন । মৃধাত যখন ছিল তখন হয়ত অনেক মজা করেই ওর জন্মদিন পালন করা হত । আমি জানি আজ স্বর্গে ওর বন্ধুরা ওর জন্মদিন পালন করবে । তখন কি একবারও ওর মনে পড়বেনা ওর বন্ধুদের কথা , যে বন্ধুরা ওর জন্মদিনে পার্টি দিত ? আমার মনে হয় পড়বে । মৃধাত যে তার বন্ধুদের খুব ভালবাসত ।


ছবিটি মৃধাতের ফেইছবুক ফ্যান পেইজ থেকে নেওয়া

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More

 
Design by Free WordPress Themes | Bloggerized by Lasantha - Premium Blogger Themes | coupon codes